চীন দেশের লোকেরা করলে নতুন প্রযুক্তি, আমরা করলে ধান্দা..

রিক্সা ওয়ালার লুঙ্গির গিট্টুর পাশে যে মোবাইলটা থাকে সেটা চায়না মোবাইল। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পদস্থ কর্মকর্তা যে মোবাইলটা ব্যবহার করে সেটাও চায়নায় তৈরি।
শুধু বৈদ্যুতিক যন্ত্র না, সবজি থেকে কাপড় এমনকি বদনা পর্যন্ত এমন কিছু নাই যা ওরা বানায় না (যদিও ওদের বদনা আমাদের দেশে পাওয়া যায় না)।

ওরা যে শুধু বানায় তা না, বিশ্ববাজারও দখল করে আছে। বাংলাদেশে এমন কোন পরিবার নাই, যেখানের ৫-১০ টা প্রোডাক্টে Made in China অথবা Made
by China লেখা নাই।

ওরাই প্রথম শিখিয়েছে কিভাবে কাজকে সহজ করতে হয়, কিভাবে নির্মানে খরচ কমাতে হয়।
বাংলাদেশে যদি একটা মোবাইল সেট তৈরি করতে যে খরচ যায়, ওই একই মানের সেট চীন দেশে তৈরি করতে তার ২/৩ অংশও খরচ হয় না।
আবারও বলছি ওরা কাজকে করছে সহজ, নির্মানে কমিয়েছে খরচ।

ওরা করছে এবং টিকেও আছে। এই একই ধরনে কৌশল বাংলাদেশের কোন যুবক যদি এদেশে প্রয়োগ করতো কিংবা বাঙ্গালীদের শেখাতে তবে কেউ তো শিখতোই না, উল্টা সমালোচনা করতো।

উদাহরন লাগবে?
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে কৃষি সঙ্গনিরোধ অধিদপ্তরের নতুন ভবন। ভবনের বীমে রডের বদলে বাঁশের চটা দিয়ে ঢালাই করছে। বাশের চটা দিয়ে ৫ তলা ফাউন্ডেশনের সরকারি ভবনের নির্মান করা হচ্ছে।

ফেসবুকে একটিভ ইউজার কিংবা অনলাইন মিডিয়াগুলো এই নির্মানের সমালোচনাই করে গেলো। মাগার একবারও ভাবলো না-
এরা কাজকে করতে চেয়েছিল সহজ, নির্মানে চেয়েছিল খরচ কমাতে।
যা চীন দেশের কোন প্রকৌশলী করলে হতো- নতুন কৌশল।